বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০৭:৩৯ অপরাহ্ন

Welcome! Thank you for visiting our newspaper website.
প্রধান সংবাদ :
গৌরনদীতে সম্পত্তি দখলের পাঁয়তারায় চলাচলের রাস্তা কেটে ফেলে নরসুন্দরকে নির্যাতন মানুষ মদিনার ইসলামে বিশ্বাসী, ‘মওদুদীর ইসলামে’ নয় : সালাহউদ্দিন আহমেদ কবে দেশে ফিরছেন তারেক রহমান, জানালেন পিএস নূরউদ্দিন অপু বাকেরগঞ্জে বিএনপি নেতাদের ওপর সন্ত্রাসী হামলার মামলায় ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার বানারীপাড়ায় অগ্নিকান্ডে দুটি বসত ঘর পুড়ে ছাই বরিশালে এখন সাংবাদিকতা মানে চা আর কমিশন! ট্রাম্পের ভাষণের সময় ইসরায়েলের পার্লামেন্টে ‘ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি’র দাবি তুলেছেন এমপি আইমান ও কাসিফ দ্রুত দেশে ফিরে নির্বাচনে অংশ নিবেন তারেক রহমান বরিশাল মৎস্যজীবী দলের সভাপতি রুস্তম আলী মল্লিকের বিরুদ্ধে অর্থের বিনিময়ে আওয়ামী লীগের দোসরদের পুনর্বাসনের অভিযোগ বরিশালে সুরুজ গাজী হত্যার নেপথ্যে যুবদল নেতা উলফাত রানা রুবেলের চাঁদাবাজির ভাগ-বাটোয়ারা!
উজিরপুরে এতিম পরিবারের সম্পত্তি দখল সন্ত্রাসে মরিয়া কে এই হেমায়েত মুন্সি?

উজিরপুরে এতিম পরিবারের সম্পত্তি দখল সন্ত্রাসে মরিয়া কে এই হেমায়েত মুন্সি?

উজিরপুরের শিকারবন্দরে এতিম পরিবারের সম্পত্তি দখল সন্ত্রাসে মরিয়া কে এই হেমায়েত মুন্সি?
উজিরপুরের শিকারবন্দরে এতিম পরিবারের সম্পত্তি দখল সন্ত্রাসে মরিয়া কে এই হেমায়েত মুন্সি?

নিজস্ব প্রতিবেদক, ইউনিভার্সেল নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম : বরিশালের উজিরপুর উপজেলার শিকারপুরবন্দরে এক এতিম পরিবারের সম্পত্তি দখল সন্ত্রাসের মাধ্যমে লুটেপুটে নিতে পেশিশক্তিতে সংঘবদ্ধ ভূমিদস্যু চক্রের যোগশাজসে এবার জোরেশোরে মরিয়া হয়ে উঠছে বন্দরের সেই বহুল বিতর্কিত নানা অন্যায় অপকর্মের হোতা মুখোশ পরিহিত ভদ্রলোক হেমায়েত মুন্সি। এতিম পরিবারের পুরো সম্পত্তি জবর দখলে তিনি নানাবিধ কায়দায় ষড়যন্ত্রের ছঁক কষে আকছেন।

কে এই হেমায়েত মুন্সি?

এই হেমায়েত মুন্সির বিরুদ্ধে রয়েছে এন্তার অভিযোগ। দখল সন্ত্রাস, ভূমি দস্যুতা সহ অন্ধকার জগতে হেঁটে চলে কালো অধ্যায়ের জন্ম দিয়েছেন তিনি। তার বহু অপকর্ম ম্যানেজ প্রক্রিয়ায় ধামাচাপা রয়েছে। বন্দরের অনেক মানুষ তার অপকর্মে নিরবে ক্ষোভ প্রকাশ করে চলছেন। জনশ্রুতি রয়েছে-হেমায়েত মুন্সির এক ভাই অনেক আগে হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছিলেন। সেই মামলার বাদী হেমায়েত মুন্সি। এক্ষেত্রে অসমর্থিত সূত্রগুলোর ভাষ্য, এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে হেমায়েত মুন্সির হাত রয়েছে। আর এ কারণেই দীর্ঘ সময়েই আলোচিত এই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন হয়নি। এরফলে অন্ধকারে হাবুডুবু খাচ্ছে হত্যা মামলাটি। হত্যাকাণ্ড শিকারের আগে হেমায়েত মুন্সির সঙ্গে হত্যার শিকার ভাইয়ের বিভিন্ন সময়ে সম্পত্তির ভাগবাটোয়ারা সহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে প্রায় সময়ই বাকবিতণ্ডা হতো। এরইধারাবাহিকতায় হয়তবা তাকে চিরতরে দুনিয়া থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে একাধিক অসমর্থিত সূত্রের ভাষ্য।
এসব বিষয়ে শিকারপুর বন্দর কমিটির সভাপতি হেমায়েত মুন্সি ইউনিভার্সেল নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনীত সকল অভিযোগ মিথ্যা-বানোয়াট-ভিত্তিহীন। কারো সম্পত্তির ওপর আমার কোন কুদৃষ্টি নেই। আমি কোন অন্যায় অপকর্মে সম্পক্ত নেই।
আর এতিমের দোকান তালাবদ্ধ করার কথা শিকার করে বলেন, এই সম্পত্তি আমি জবর দখল করতে চাই না, তবে তাদের ভালোর জন্যই দোকান তালাবদ্ধ করে রাখা হয়েছে।

এতিম পরিবারের সম্পত্তি যেভাবে লুটেপুটে খাওয়ার পায়ঁতারা

বলাবাহুল্য : মিজানুর রহমান নামের এক ব্যবসায়ী দীর্ঘ ৩০-৩৫ বছর পর্যন্ত সিএন্ডবির সম্পত্তিতে নিজের ভবন করে নিজের নামে ট্রেড লাইসেন্স করে ভ্যাট ট্যাক্স দিয়ে আসছিল। চলতি বছরের ২ জানুয়ারি (২০২৩) মিজান মারা যান। মারা যাওয়ার পর তার পরিবারটি এতিম হয়ে পড়েন। মিজানের স্ত্রী, সন্তান নিয়ে একটা সংকটমূহুর্ত চলছে। স্বামী মারা যাওয়ার পর ওই দোকানসহ মিজানের সকল সম্পত্তি গলাধকরণে উঠেপড়ে লেগেছে এলাকায় মুখোশধারী ভদ্রলোক ভূমিদস্যু হিসেবে পরিচিত হেমায়েত মুন্সি। যাইহোক- মিজান মারা যাওয়ার কয়েকদিন পর মিজানের স্ত্রী, সন্তান দোকান খুলেন। দু’দিন দোকান চালানোর পর সন্ত্রাসী কায়দায় হেমায়েত মুন্সির নির্দেশে দোকানে তিনটি তালা ঝুলিয়ে দিয়েছে।
হেমায়েত মুন্সির দাবি ওই দোকান মিজানের পিতার ছিল। এজন্য মিজানের ভাগ্নেরা অংশীদার হিসেবে দাবি করে দোকানে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। কিন্তু এতিম পরিবার সহ বন্দরের বয়স্ক একাধিক ব্যক্তির ভাষ্য, মিজানের পিতার দোকান যেখানে ছিল সেই দোকান নদীতে চলে গেছে। আর তার কাঠের দোকান ছিল। এর কয়েক বছর পর মিজান অন্যত্র সিএন্ডবির সম্পত্তি দোকান গড়ে তোলে। সেখানে নিজে ভবন করে একাই দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে দোকান চালিয়ে আসছিল। অর্থাৎ প্রয়াত মিজানের বর্তমানে যেখানে দোকান নির্মাণ করেছে সেই দোকান তার পিতা কখনোই বসেনি। মূলত: মিজান নিজ উদ্যাগে সেখানে দোকান গড়ে তোলে ট্রেড লাইসেন্স করে ভ্যাট-ট্যাক্স দিয়ে আসছে। এখন মিজান মারা যাওয়ার পর পরিবারটি যখন এতিম হয়ে যায় সেই মুহুর্তে হেমায়েত মুন্সি ওই দোকান দখলে তালা ঝুলিয়ে দেয়। পাশাপাশি মিজানের আরো ৩/৪টি দোকান ভাড়া দেওয়া রয়েছে। সেই দোকানের ভাড়াটিয়াদের হেমায়েত মুন্সি হুমকি ধামকি দিয়ে আসছে। আর হেমায়েত বলছে- এখন থেকে মিজানের ওইসব দোকানের ভাড়া টাকা আমার কাছে দিতে হবে। এরবাইরে এতিম পরিবারটিকে নিয়ে নানাধরণের কলকাঠি নেড়ে চলছেন হেমায়েত।
বর্তমানে এতিম পরিবারটি সম্পত্তি জবরদখলে সংঘবদ্ধ হেমায়েত মুন্সি নানা ধরণের হুমকি-ধামকিতে আতঙ্কিত হয়ে পুরোপুরি জীবনের চরম নিরাপত্তাহীনতার মাঝে বসবাস করছে।

জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসন সহ আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর দৃষ্টি কামনা

এসব বিষয়ে অসহায় প্রয়াত মিজানের এতিম পরিবারের স্ত্রী, তার সন্তানরা এই ভয়ঙ্কর চক্রের হাত থেকে রক্ষা পেতে বরিশাল জেলা প্রশাসক, উজিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং আইন শৃঙ্খলা বাহিনী শীর্ষ পর্যায়ের আশু দৃষ্টি কামনা করেছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved ©2022-2026 universalnews24.com
Design By Ahmed Jalal.
Design By Rana